DMRE

                                                                                                             ads by   DMRE   ঘরে বসেই কেনাকাটার আনন্দ  
                                                                                                               http://www.dmrebd.com/
                                                         

বৈশাখী শাড়ি



বৈশাখী শাড়ি



বেশিরভাগ রমণীর কেবল বাহানা চাই শাড়ি পরার জন্য,তারা সদা উৎসুক থাকে উৎসবগুলোকে সাজপোশাকে তুলে আনতে। বসন্তবরণের পরপরই চলে আসে পহেলা বৈশাখ। আর এই উৎসব বাঙ্গালির বিরাট এক উপলক্ষ আনন্দ করার, বাংলা বছরকে বরণ করে নেয়ার। আর রমণীদের বিরাট এক বাহানা সাজসজ্জায় শাড়ি দ্বারা বিশেষ রূপ ফুটিয়ে তোলার। আর এই চিন্তার ও শেষ থাকে না রমণীদের শাড়িখানা কেমন রঙের  হবে, আধুনিকতার ছোঁয়া থাকবে কিনা, যেনো ভাবনার কমতি নেই। চড়া সাজে জমকালো দিন কাটবে নাকি স্নিগ্ধতার পরশে শান্তিতে, সেটাও এক ভাবনা বটে।বৈশাখী উৎসব মানেই কেবল পাড়ে লাল আর জমিনে সাদা রঙের শাড়ি নয়। যদিও লাল-সাদা শাড়ির ট্রেন্ড। তবু ও রমণীরা এখন  নিজেদের জন্য  ইচ্ছে মতন সব রঙ বেছে নিচ্ছে পহেলা বৈশাখের উৎসবেও। আর  পোশাকের রঙ বেছে নেওয়া উচিত মনের শান্তি আর চোখের আরাম বুঝে, সেটাই বরং করে নিন ট্রেন্ড।কোটা কাপড়ের শাড়িগুলি উত্তপ্ত বৈশাখী দিনের জন্য আদর্শ।
এই বিশেষ উৎসবের বিভিন্ন উপকরণও শাড়িতে নিজেকে সাজাতে পারেন। হ্যান্ডপেইন্ট করা শাড়ির চাহিদা অনেক থাকে পহেলা বৈশাখে। ডালা-কুলো, ডুগডুগি, বাঁশী এসমস্ত সামগ্রী ছাপচিত্রে উঠে আসতে পারে আপনার শাড়ির আঁচলে বা কুঁচিতে, বাকি শাড়িখানা নাহয় খালিই রইলো। কিংবা পুরো শাড়ি ফাঁকা রেখে কেবল কাঁধের কাছটায় খানিক জ্যামিতিক নকশা, বা বৈশাখী উপকরণেরই ছবি এঁকে নিলেন। একই রকম নকশা করা ব্লাউজটা হতে পারে ভিন্ন কোন রঙের। বৈশাখী সাজে এমন একখানা শাড়ি কমবেশি সবারই চাওয়া থাকে।

             



                                  
তথ্য সুত্র- dmreb.com





কোন মন্তব্য নেই

A330Pilot থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.