জামদানি শাড়ি
প্রাচীনকালের মিহি মসলিন কাপড়ের উত্তরাধিকারী হিসেবে জামদানি শাড়ি বাঙালি নারীদের কাছে অতি পরিচিত। জামদানি শাড়ি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত করা হয়ে থাকে। সাধারনত মসলিনের ওপর নকশা করে জামদানি কাপড় তৈরি করা হয়।জাম অর্থ ফুল আর দানি হচ্ছে ধারক,এমনই এক সুন্দর অর্থ বহন করছে জামদানি শাড়ি। জামদানি বিখ্যাত তার বিচিত্র নকশার কারণে।
প্রতিটি নকশার রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন নাম। পান্নাহাজার, বুটিদার, দুবলিজাল, তেরসা, ঝালর, ময়ূরপাখা, কলমিলতা, পুঁইলতা, কল্কাপাড়, কচুপাতা, আঙুরলতা, প্রজাপতি, শাপলাফুল, জুঁইবুটি, চন্দ্রপাড়, হংসবলাকা, শবনম, ঝুমকা, জবাফুল-এমনই নানা রকম নাম এসব নকশার। এই জামদানি শাড়ির কাজ করে অনেকেই তার সংসারের উপার্জন ও করে থাকে। বাজ্ঞালী শাড়ি গুলোর মধ্যে জামদানি শাড়ির ও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।নারীদের সৌন্দর্য প্রকাশে জামদানি শাড়ির কোনো বিকল্প নেই।এই শাড়িগুলো বহন করাও সুবিধা। ঢাকাই জামদানি শাড়ির চাহিদা ও ব্যাপক।জামদানি শাড়ির রূপ ও রং বৈচিত্র্যে সব বয়সীদের জন্য মানানসই। বিভিন্ন ডিজাইনের জামদানি শাড়ি পাওয়া যায় বাজারে।
জামদানি শাড়িগুলো দাম সাধারনত ২০০০টাকা থেকে শুরু।
অনালাইন বাজারে বিভিন্ন ডিজাইন ও সব নতুন কালেকশনের শাড়ি পেতে ভিজিট করতে পারেন আপনার সাধ্যের মধ্যে লেটেস্ট শাড়ি গুলো পেয়ে যাবেন। এখনি দেখতে এখানে যান
তথ্য সুত্র- dmreb.com





কোন মন্তব্য নেই